মেনু নির্বাচন করুন
Text size A A A
Color C C C C
পাতা

সিটিজেন চার্টার

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সংবিধানের ২০ ও ৪০ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী রাষ্ট্র নারী ও পুরম্নষ নির্বিশেষে মানব সম্পদ উন্নয়ন ও যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের সহায়তা প্রদানে অঙ্গীকারবদ্ধ।

এই সাংবিধানিক দায়িত্ব পালনে সরকার দেশের অভ্যন্তরে কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহযোগীতার পাশাপাশি আন্তজার্তিক শ্রম বাজারে বাংলাদেশের নাগরিকদের প্রেরণ তাদের দক্ষতা উন্নয়ন ও অবিবাসীদের কল্যানে প্রবাসী কল্যাণ ও বৈকদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় গঠন করে এবং গ্রাম রম্নটস লেবেলের সেবা পৌঁছানোর জন্য জনশক্তি কর্মসংস্থান  ও প্রশিক্ষণ ব্যুরোর আওতায় জেলা পর্যায়ে জেলা কর্মসংস্থান ও জনশক্তি অফিস গঠিত হয়। যাহা ৫টি শাখার মাধ্যমে পরিচালিতঃ-

1)     নিবন্ধন ওপরামর্শ শাখাঃ- ডাটা বেজের অনলাইন জব সিকার্স রেজিষ্ট্রেশন করানো হয়। ১৫০/- টাকার পে-অর্ডার, মহাপরিচালক, জনশক্তি কর্মসংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো ৮৯/২ কাকরাইল, ঢাকা বরাবরে সোনালী ব্যাংক, পাবনা প্রধান শাখা হইতে পরবর্তী ১ কর্ম দিবসের মধ্যে বিদেশ গমন ইচ্ছুক  রেজিষ্ট্রেশন কার্ড প্রদান করা হয়।

-         আবেদনের ফরম জেলা কর্ম সংস্থান ও জনশক্তি অফিস , পাবনা হতে প্রদান করা হয় এবং নির্ভুল ভাবে ছবিসহ পূরণ করতে হয়।

২) কল্যাণ শাখাঃ

            বিদেশে মৃত ব্যক্তির আত্মীয় স্বজনকে  মৃত্যুর খবর পৌঁছানো ও             লাশ আনার মতামত গ্রহণ। 

-         বিদেশে মৃত কর্মীর লাশ দেশে আনা  ও দাফন খরচ প্রদান

-         নির্দিষ্ট ফরমের মাধ্যমে আবেদন ৩৫ হাজার টাকার আর্থিক সাহায্যের জন্য নিম্নোক্ত কাগজপত্র জমা দিতে হয়।

-         সাদা কাগজে আবেদন।

-         মৃত্যের মূল পাসপোর্ট, ডেথ সার্টিফিকেট, এয়ার ওয়েজ বিল, উত্তরাধিকার সনদ, চেয়ারম্যানের সনদ ও সত্যায়িত ছবি, (এয়ারপোর্ট হইতে চেক গ্রহণ করতে না পারিলে) জনশক্তি ব্যুরোর বর্হিগমন ছাড়পত্র এবং কাগজপত্রাদী যাচাই বাছাই শেষে জেলা জনশক্তি অফিস হতে ওয়ারিশ সনাক্তকরণ সংক্রান্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর ৩০ দিনের মধ্যে চেক পাওয়া সাপেক্ষে ৭ দিনের মধ্যে চেক বন্টন।

-         বিদেশে কর্মরত মৃত বাংলাদেশী কর্মীদের আর্থিক ক্ষতি পূরণ আদায় ও বিতরণঃ সংশিস্নষ্ট নিয়োগ কর্তা হতে বকেয়া পাওনা ও ক্ষতি পূরণ  আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়। নিয়োগ কর্তা হতে ক্ষতি পূরণ পাওয়া না গেলে মৃত্যের উত্তরাধিকারীগণকে ওয়েজ-আর্নাস কল্যাণ তহবিল হতে ৩ লক্ষ টাকা পর্যন্ত  আর্থিক অনুদান প্রদান করা হয়। এব জন্য নিম্নোক্ত কাগজ পত্র প্রয়োজনঃ

-         সাদা কাগজের আবেদন।

-         মৃত্যের মূল পাসপোর্ট, ডেথ সার্টিফিকেট, উত্তরাধিকারী  সনদ, ফারায়েজ নামা, অভিভাবক সনদপত্র (প্রযোজ্য ক্ষেত্রে) চেয়ারম্যান সনদ, ও সত্যায়িত ছবি।

-         জেলা কর্মসংস্থান অফিস কর্তৃক ওয়ারিশ সনদ।

-         জনশক্তি, কর্ম সংস্থান ও প্রশিক্ষণ ব্যুরো হতে সকল প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি যাচাই বাছাই পূর্বক মৃত্যের ওয়ারিশদের নামে চেক আসার ৭ দিনের মধ্যে স্বাক্ষীর উপস্থিতিতে ছবি তুলে চেক বিতরণ করা হয়।

(৩)        উন্নয়ন ও প্রচারে ও এনজিও শাখাঃ-

            প্রবাসী কর্মীদের পরিবারের পক্ষে সরকারের  বিভিন্ন সেবা     দানকারী প্রতিষ্ঠানের সাথে যোগাযোগ করে সেবা প্রাপ্তিতে     সহায়তা প্রদান।

-         দক্ষতা উন্নয়নের জন্য প্রশিক্ষনে উদ্বুদ্ধ করণ ও দিক নির্দেশনা

-         সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য উপজেলা মাসিক সমন্বয় সভায় যোগদান এবং সেখানে বিদেশে গমনে ইচ্ছুকরা যাতে প্রতারিত না হয় সে জন্য উপস্থিত সবাইকে এ ব্যাপরে অবহিত করা।

-         সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য ইউনিয়ন পর্যায় থেকে উপজেলা, জেলা পর্যায়ে মাইকিং, লিফলেট, বুকলেট ও পোষ্টার বিতরণ করা হয়। এছাড়া ক্যাবল ভিষনের মাধ্যমেও সচেতনতা প্রদানের কাজ করা হয়।

(৪)        অভিযোগ তদন্ত ও সহয়তা প্রদান শাখাঃ বিদেশ গমনেচ্ছু       কর্মীরা বিভিন্নভাবে বিদেশ গমনের ক্ষেত্রে প্রতারিত হয়।   তদনুযায়ী সুস্পষ্ট প্রমান সাপেক্ষে  অভিযোগ এর ভিত্তিতে         তদন্ত      শেষে ১৯৮২ বর্হিগমন অধ্যাদেশ অনুযায়ী অভিযোগ             নিষ্পত্তির ব্যবস্থা করা হয়। বিদেশ গমনেচ্ছু অভিবাসী             কর্মীদের প্রাপ্ত        অভিযোগ তদন্ত  এবং সংশিস্নষ্ট কর্তৃপক্ষ             নিকট প্রেরণ।

(৫)        প্রশাসন ও হিসাব শাখাঃ দপ্তর প্রধানের দিক নির্দেশনা অনুযায়ী দপ্তরের সকল কার্যাদি সুনির্দিষ্ট ভাবে সম্পন্ন করা।  সীমাবদ্ধ বরাদ্দের মাধ্যমে সকল কাজ যাতে যথাসময়ে সম্পন্ন হয় সেদিকে নজর রাখা হয়। প্রধান দপ্তর কর্তৃক চাহিদা মোতাবেক প্রতিবেদন প্রেরন, মাসিক খরচের বিবরণী ও প্রশাসনিক প্রতিবেদন সহ অন্যান্য কার্যাবলী যথাসময়ে সম্পন্ন করা হয়।